04:55pm  Thursday, 29 Oct 2020 || 
 ||


সমুদ্রের নোনাজলে স্নান করে নতুন বছর উদযাপন করতে চান? পুরনো বছরের গ্লানি ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে চলে যান কক্সবাজার। কেননা, ইংরেজি নববর্ষকে উদযাপন করতে সেখানে আয়োজন করা হয়েছে মেগা বিচ কার্নিভ্যাল। এখানে নাচ-গানের পাশপাশি লোকজ ঐহিত্য তুলে ধরার জন্য মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে এই আয়োজন করা হয়েছে। পৃথিবীর দীর্ঘতম এই সমুদ্র সৈকতে এই কার্নিভ্যাল শুরু হবে ৩১ ডিসেম্বর থেকে। শেষ হবে ২ জানুয়ারি। তিন দিন ব্যাপী এখানে চলবে মেলা। মেলার জন্য নতুন করে সাজানো হবে সৈকত। এ উপলক্ষ্যে শনিবার ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিচ কার্নিভ্যাল আয়োজনের ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব জনাব খোরশেদ আলম চৌধুরী, পর্যটন করপোরেশনের মাননীয় চেয়্যারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান খান কবির। মন্ত্রী জানান ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। পর্যটনের গন্তব্য হিসেবে কক্সবাজারকে সারা পৃথিবীর সামনে তুলে ধরতেই এ আয়োজন। পর্যটন বাংলাদেশের জন্য খুবই সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। সম্ভাবনাময় এই বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে সারা পৃথিবীর কাছে তুলে ধরতে সরকারের বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বিচ কার্নিভ্যালে অংশ গ্রহণের জন্য সবাইকে আহ্বান জানান। বিচ কার্নিভ্যালের আয়োজন করছে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, ট্যুরিজম বোর্ড ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। বিচ কার্নিভ্যালে পৃষ্ঠ পোষকতা করছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ও হেলথ পার্টনার স্যাভলন। গতকাল প্রচারনার অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়র রাজু ভাষ্কর্যের সামনে বিচ কার্নিভ্যালের একটি কাউন্ট ডাউন ঘড়ি স্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করে গানের দল জলের গানের শিল্পীরা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় ৩১ ডিসেম্বর কক্সবাজার সৈকতে বিচ কার্নিভ্যালের উদ্বোধন হবে সকাল ১০ টায়। তিন দিনের এই আয়োজনে দেশের সেরা শিল্পীদের গান, স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন, নৃত্য পরিবেশনা, আতশবাজিসহ নানান আয়োজন থাকবে। পুরো সৈকত সাজবে বর্নিল রঙে৷ মেলায় বিভিন্ন অনুষঙ্গের মধ্যে থাকছে খাবারের প্রদর্শনী, লোক শিল্পের পসরা, সারাদেশের পর্যটন আকর্ষনগুলোকে তুলে ধরার আলাদা আয়োজন, ঘুড়ি উৎসব, প্রদর্শনী, বিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, সার্ফিং, বালুর ভাষ্কর্য তৈরি, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ নানান আয়োজন। কার্নিভ্যালে পুরো বিচ এলাকা সাজবে নতুন রূপে। সেই সঙ্গে সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার মতো বিশেষ সচেনতামূলক কর্মসূচীও থাকবে কার্নিভ্যালে। বিচ কার্নিভ্যালে ১০ লাখ লোক সমাগমের প্রত্যাশা করছেন আয়োজকেরা। অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড।

 

ঐতিহ্য



Editor : Husnul Bari
Address : 8/A-8/B, Gawsul Azam Super Market, Newmarket, Dhaka-1205
Contact : 02-9674666, 01611504098

Powered by : Digital Synapse